4>গুলঞ্চ লতা বা গিলয় °++
4>★★গুলঞ্চ লতা বা গিলয়
●4>পায়ের ব্যাথা ও কোষ্ঠকাঠিন্যে::---
(আর্থ্রাইটিস ও কনস্টিপেশন)
4/11>সকালে 4টি ভেজানো কাঠ বাদাম
ভীষণ উপককারী
4/2>সমালে 5, 6 টি ভেজানো কিসমিস
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
4/3>একদিন বাদাম একদিন কিসমিস খাওয়া উচিত।
4/4>ব্যাথা কমাতে সাদা তিল একচামচ
বাজারের তিল এনে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে।
4/5>সকালে 1ইঞ্চি আদা চিবিয়ে খেতে হবে।
==================
5>অঙ্কুরিত মুগডালের উপকারিতা:--
প্রতিদিন অঙ্কুরিত মুগ ডাল খাওয়া আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে এতে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উচ্চ উপাদানের রয়েছে। এটি বিশেষ করে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, যা উভয়ই ইমিউন প্রতিক্রিয়া শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
=======================
6>|| ব্যথানাশক তেল::---
1"ইঞ্চি আদা খুব ছোট টুকরো নিতে হবে+5টি লবঙ্গ ফুল সহিত+1চামচ মেথি+1/2চামচ আজোয়াইন+1/2" দারচিনি+5 কোয়া রসুন+1/2কাপ সরিষার তেল।
ঢিমে আঁচে ওই আধা কাপ সরিষার তেলে সমস্ত আইটেম দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। সব ভালো করে সেদ্ধ হলে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিতে হবে।
ব্যাথার স্থানে লাগিয়ে কোন গরম কাপড় দিয়ে জড়িয়ে রাখতে হবে ।
পাঁচ দিনেই উপকার পাওয়া যাবে।
পিঠে ঘাড়ে ব্যাথা হলে তেল লাগিয়ে কম্বল মুড়িদিয়ে কিছুক্ষন শুয়ে থাকতে হবে।
========≠=============
==============■■■■■
7>|| নখকুনির প্রতিকার ||
সাধারণত বর্ষার সময় বেশি হয় নখকুনি।
5টি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
নখকুনি খুবই যন্ত্রণাদায়ক একটি সমস্যা। বর্ষায় নখকুনির সমস্যা অনেককেই ভুগতে হয়। হাতে বা পায়ের নখে এই সমস্যা হলে বেশ কয়েক দিন হাঁটাচলা বা কাজ করতে বেশ অসুবিধা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও’র ‘ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক’-এর পোডিয়াট্রিস্ট (বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক) জিওরজিয়ানি বুটেক জানান, নখের পাশের ত্বকের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া ফাটলের মধ্য দিয়ে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। এর ফলে আরও অনেক বেশি যন্ত্রণা হতে থাকে।
নখকুনির ৫টি অব্যর্থ ঘরোয়া প্রতিকার
১) সাদা ভিনিগার: ২ কাপ উষ্ণ গরম জলে ১ কাপ সাদা ভিনিগার মিশিয়ে নিন। এই ভিনিগার মেশানো জলে মিনিট পনেরো নখকুনি আক্রান্ত আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। তার পর শুকনো করে মুছে নিন। দু’-এক দিনের মধ্যেই সেরে যাবে নখকুনি।
২) টি ট্রি অয়েল: ১ চামচ নারকেল তেলে ২-৩ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। এই তেল তুলো দিয়ে নখকুনি আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে মিনিট দশেক রেখে দিন। দিনের মধ্যে দু’-তিন বার এমনটা করতে পারলে দ্রুত সেরে যাবে নখকুনি।
৩) রসুন: ১ কাপ সাদা ভিনিগারের সঙ্গে কয়েক কোয়া রসুন কুচিয়ে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ নখকুনি আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে পরিষ্কার কাপড় বা ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখুন। যত দিন না সারছে, তত দিন এই পদ্ধতি মেনে চলুন। উপকার পাবেন।
৪) অ্যাপল সিডার ভিনিগার: ২ কাপ জলের সঙ্গে ২ কাপ অ্যাপল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে ওই মিশ্রণে ৩০ মিনিট নখকুনি আক্রান্ত আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। তার পর শুকনো করে মুছে নিন। দু’-তিন দিনের মধ্যেই সেরে যাবে নখকুনি।
৫) পাতিলেবুর রস: নখকুনি আক্রান্ত অংশে জায়গায় দু’-এক ফোঁটা পাতিলেবুর রস লাগান। ২৫-৩০ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। যত দিন না সারছে, তত দিন এই পদ্ধতি মেনে চলুন। উপকার পাবেন।
=========================
Comments
Post a Comment