7> ঔষধ (আয়ুর্বেদিক)
7> ঔষধ (আয়ুর্বেদিক)
1>রাত্রের ঘুম ও শরীর চাঙ্গা জিরে।
2>দিব্যি ধরা / অমৃত ধারা বানাবার
নিয়ম:---
3>দাদ, খাঁজ, খুজলি।
4>ঘরোয়া চিকিৎসা::---
-----■1> প্রচন্ড সর্দিতে:::---
---------■2>হাঁটুর ব্যথার তেল::--
---------■3>খাবার সোডা==
---------■4> সুপার ফুড::---
========================
পত্যঞ্জলি দিব্যি ধারা ।
পত্যঞ্জলি দাঁতের মাজন দন্ত কান্তি।
===============================
1>রাত্রের ঘুম ও শরীর চাঙ্গা রাখতে জিরে::--
গোটা জিরে খান চিবিয়ে
পেটের সমস্যার যাবে দূরে।
রাতের ঘুম হবে অতিশয় সুন্দর,
দুঃচিন্তাগুলি হবে দূর।
সুন্দর শান্ত একটি ঘুমের পরে,
প্রভাতে মেজাজ টিও হবে ঝরঝরে,
শরীর হবে চাঙ্গা,
দুরহবে অহেতুক ভাবনা।
( গটা জিরে বাড়ায় ঘুম,
জিরের জল দূর করে
টক্সিন বা দূষিত পদার্থ)
খেতেভাবে জিরের জল এবং গোটা জিরে।
জিরের জল::---
ঘুমের ওষুধ নয়, চিবিয়ে খান গোটা জিরে।
ঘুম আসবে, দূর হবে জটিল রোগ
খালিপেটে গোটা চিবিয়ে খান! ম্যাজিক ঘটবে শরীরে!
জিরের জল ইনসোমনিয়ার সমস্যাকে শেষ করে দিতে পারে। এতে শুধু তাড়াতাড়ি ঘুমোবেন তা নয়, বরং আপনার ঘুমের মানও উন্নত হবে। থাকবেন তরতাজা।
গোটা জিরে---
মস্তিস্কের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি খুব সহজেই স্মৃতিশক্তির মান উন্নত করতে সাহায্য করে।
এছাড়া---
প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস জিরের জল খাওয়া শরীরের পক্ষে বিশেষ উপকারী
কারণ এটি হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বদহজম, ডায়রিয়া, বমিভাব এবং গ্যাস ইত্যাদি প্রতিরোধ করে।
জিরের জলে থাকা মুক্ত র্যাডিক্যাল ত্বককে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা এনে দেয়। এটি ব্রণ চিকিৎসার জন্য একটি কার্যকর উপায়।
জিরের জল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে করতে সাহায্য করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিকে সুস্থভাবে কার্য চালাতে সাহায্য করে। এটি লিভারের জন্য বিশেষ উপকারী।
গোটা জিরে চিবিয়ে খান,
পেটের সমস্যার হবে সমাধান।
রাতের ঘুম হবে অতিশয় সুন্দর,
শরীর থাকবে চাঙ্গা দুরহবে অহেতুক ভাবনা।
আমরা হজমের গোলমাল হলেই জোয়ান খাই,
কিন্তু খালিপেটে গোটা জিরে চিবিয়ে খেলে সুন্দর ফল পাবেন।
আয়ুর্বেদ অনুসারে হজমশক্তি উন্নত করার পাশাপাশি বিপাকহার বাড়িয়ে তোলার ক্ষেত্রেও জিরের উল্লেখ রয়েছে। ভিটামিন এ, ই, বি-সহ থায়ামিন, রাইবোফ্ল্যাভিন এবং নায়াসিনের মতো বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে জিরেতে।
আর সেই কারণে পেটের সমস্যা সমাধানে জিরে খেতে হবে চিবিয়ে।
ভাজাভুজি কিংবা একটু মশলা দেওয়া খাবার খেলেই পেটের সমস্যা হয়। ঘরোয়া টোটকা হিসেবে খাবার খাওয়ার পর অনেক বাড়িতেই মুখশুদ্ধি হিসেবে জোয়ান কিংবা মৌরি খাওয়ার চল রয়েছে।
কিন্তু এদের তালিকায় জিরে রাখলে অদ্ভুত ফল পাওয়া যায়।
আয়ুর্বেদে হজমশক্তি উন্নত করার পাশাপাশি বিপাকহার বাড়িয়ে তোলার ক্ষেত্রেও জিরের উল্লেখ রয়েছে। ভিটামিন এ, ই, বি-সহ থায়ামিন, রাইবোফ্ল্যাভিন এবং নায়াসিনের মতো বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে জিরেতে। এ ছাড়াও রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ়, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়ামের মতো যৌগ। তবে, পেটের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে গেলে জিরে ভেজানো জল খেলে হবে না। জিরে খেতে হবে খালিপেটে, শুকনো অবস্থায় চিবিয়ে।
বেশি মিষ্টি খেয়ে , বাড়তি শর্করার সঙ্গে পাল্লা দেবেন কী করে?
গোটা জিরে চিবিয়ে খেলেই মিটবে সকল সমস্যা।
★ রাতে একটু তেল-মশলা দেওয়া খাবার খেলেই সমস্যা হয়। প্রায়শই গলা-বুক জ্বালা করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে কিছু দিন গোটা জিরে চিবিয়ে খেয়ে দেখতে পারেন।
হজমশক্তি বাড়িয়ে তুলতে জিরের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া পেট ফাঁপার সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় এই মশলা।
★বাড়ির সাধারণ খাবার খেয়েও অনেক সময় চোঁয়া ঢেকুর ওঠে। খালিপেটে সামান্য একটু জিরে খেলে এই সমস্যা
মিটবে সহজে।
কারণ, জিরের মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেগুলি পেটের নিজস্ব পাচক রস উৎপাদন এবং ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তাই অ্যাসিডিক রিফ্লাক্সের সমস্যা অনেকটাই বশে থাকে।
★শারীরবৃত্তীয় সমস্ত কাজকর্ম সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে গেলে শরীর থেকে টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বার করে দিতে হবে।
এ-হেন দূষিত পদার্থ শরীর থেকে বার করে দিতে খেতে হবে জিরে।
শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সকালে খালি পেটে কয়েক দিন শুকনো জিরে চিবিয়ে খেয়ে হবে।
===========================
2>দিব্যি ধরা / অমৃত ধারা
বানাবার নিয়ম:---
পরিষ্কার শুদ্ধ ভালো ভাবে শুষ্ক কাঁচের শিশিতে ( শিশিতে কোন প্রকরে একবিন্দুও জল না থাকে)
এমন এক কাঁচের একটু বড়ো মুখ ওয়ালা শিশি নিয়ে তাতে সম পরিমান
কর্পূর + পিপারমেন্ট+ সত আজয়াইন
camphor + Peppermint +Sat Ajwain. তিনটি উপাদান সমান পরিমানে মিশিয়ে শিশির ঢাকনা বন্ধ করে রেখে দিতে হবে। মিশ্রণটি এক সাথে মিশে তরল হয়ে গেলে ছোট শিশিতে ভরে রাখতে হবে।
সর্দি, কাশি, মাথা ব্যাথা, পেট ব্যাথা, দাঁত ব্যাথায় অমৃত।
যেটি রামদেব বাবার দিব্যি ধারার মতন।
SAT AJWAIN /(THYMOL )
==========================
3>দাদ, খাঁজ, খুজলি--->
রামবান ঔষধ -- নিমেষে খতম
এক টিক্কি কপ্পুর + সামান্য কাঁচা দুধ +
নারকেল তেল সামান্য + সামান্য পাকা
কলা ।
সব একসাথে মিশিয়ে যেখানে দাদ খাঁজ খুজলি আছে সেখানে ভালো করে লাগাতে হবে ডলে ডলে।
=====================
4>ঘরোয়া চিকিৎসা::---
■1> প্রচন্ড সর্দিতে:::---
■2>হাঁটুর ব্যথার তেল::--
■3>খাবার সোডা==
■4> সুপার ফুড::---
=================
■1> প্রচন্ড সর্দিতে:::---
এক কাপ জলে 2/3 কোয়া রসুন + 1/2 আধাঁচামচ হলুদ গুঁড়ো + একটি গোল মরিচ ভালোকরে ফুটিয়ে জল আধা কাপ হয়ে গেলে। সেই জল একঘন্টা অন্তর দিনে দুই তিন বার দুই চামচ করে খেতে হবে।
(2 tsp × three times এক ঘন্টা অন্তর।)
========================
■2>হাঁটুর ব্যথার তেল::--
মাঝারি পিয়াজ একটি ও কিছু রসুন ছোট ছোট কুচি করে + তার সাথে 1চামচ মেথি +এক চামচ লবঙ্গ + এক চামচ গোলমরিচ + সব একসাথে সরিষার তেল ভালোকরে জাল দিতে হবে সব মসলা একটু কালো হলে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে হালকা গরম গরম মালিশ করতে হবে।
=========================
■3>খাবার সোডা==
Sodium bicarbonate= NaHCO3
সোডিয়াম বইকার্বনেটে।
সকালে খালি পেটে অথবা
দুপুরে খাবার 2 ঘন্টা পরে খেতে হয়।
250ml water +
1/2 tsp Himalayan pink salt +
2 tsp লেবুর রস +
1/2 tsp চামচ খাবার সোডা।
1/2 চামচ খাবার সোডার সাথে খুব ধীরে ধীরে মেশাতে হবে লেবুর রস।(যেন ফেনা হয়ে উপচে না পরেজায়)
2 চামচ সম্পুর্ন লেবুর রস মেশানো হয়েগেল বুদবুদ ওঠা বন্ধ হলে 250 ml জল মিশিয়ে তাতে 1/2 চামচ হিমালযান পিঙ্ক সল্ট মিশিয়ে খেতে হবে
সকালে খালি পেটে অথবা খাবার 2 ঘন্টা পরে।
=========================
■4> সুপার ফুড::---
কুমড়ো বিচ + সাদা তিল + তিষী বীজ::---
সকালে প্রথমে উষ্ণ গরম জল দুই গ্লাস পান করতে হবে। তার পরে
সপ্তাহে তিন /চার দিন খেতেভাবে
এক চামচ কুমড়োর বিচি + এক চামচ সাদা তিল + এক চামচ তিসি বীজ বা ফ্লেক্সসিড।
সবগুলি মিশিয়ে ভালো করে চাবিয়ে খেতে হবে।
ভালোকরে চিবিয়ে খাবার পরে একগ্লাস উষ্ণ গরম জল খেতে হবে।
এরপরে 30 মিনিট বা আধা ঘন্টা কিছুই খাওয়া চলবে না।
আধা ঘন্টা পরে চা জল খাবার খাওয়া যাবে।
==========================
Comments
Post a Comment